|
|
ফটোগ্রাফী নিয়ে বাংলায় এমনিতেই খূব কম রিসোর্স আছে। সেই তুলনায় অন্তর্জালে বাংলায় ফটোগ্রাফী নিয়ে লেখার চর্চা আরো কম। বলা চলে এটা অতি সাম্প্রতিক কালের ঘটনা। মূলত বাংলা ব্লগের জনপ্রিয়তার সাথে এর একটা নিবিড় যোগসূত্র আছে। তবে বাংলা ব্লগস্ফিয়ারে ফটোব্লগ যতোটা পাওয়া যায় সে তুলনায় ফটোগ্রাফীর অন্য সব বিষয় নিয়ে লেখা খূবই কম পাওয়া যায়। এর মধ্যে ক্যামেরা সংক্রান্ত হেল্প পোষ্টগুলো খূবই জনপ্রিয়, তাতে কোন সন্দেহ নেই। এই পোষ্টটি মূলত ফটোগ্রাফী সংক্রান্ত সেই সব পোষ্টের তালিকা
… বিস্তারিত পড়ুন
সেদিন তারানা হালিম এর একটা লেখা পড়ছিলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে। ভিসি’কে নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা আর হাল আমলের ছাত্র এবং শিক্ষক রাজনীতি নিয়ে লেখা। খূবই চমৎকার একটা লেখা যেটাতে তিনি বেশ কিছু বিষয়ের প্রতি আঙ্গুল তুলেছেন। আমার আজকের লেখাটা অবশ্য সেসব নিয়ে না। তারানা হালিম এর লেখাটা পড়তে পড়তে আমি ভাবছিলাম আমার শিক্ষকদের কথা। তাদেরই কয়েকজনকে নিয়ে লিখবো আজ।
তবে মজার বিষয় হলো প্রিয়-অপ্রিয় সব শিক্ষকেরাই কিন্তু আমার স্কুল-কলেজ জীবনের,
… বিস্তারিত পড়ুন
আজকের বইটি ভারতীয়। নীরোদ রায় এর লেখা “ফটোগ্রাফী” বইটি মূলত ফিল্ম ক্যামেরাের উপর ভিত্তি করে লেখা। তবে ক্যামেরার প্রাথমিক বিষয়গুলি সব ক্যামেরায় একই বলে এই বইটি আপনাকে বিষয়গুলি বুঝতে যথেষ্ঠ সাহায্য করবে। লেন্স, ফিল্টার, ফ্ল্যাশ নিয়ে ছোট ছোট অধ্যায় আছে যেগুলো একজন প্রাথমিক স্তরের ফটোগ্রাফারের জানা খূবই জরুরী। পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফী, কম্পোজিশন নিয়েও বেশ কিছু তথ্য আছে। প্রায় ১০০ পৃষ্ঠার বইটিতে বেশ কিছু ছবি আছে গ্লসি পেপারে ছাপা, কিন্তু তার সবই সাদা-কালো।
… বিস্তারিত পড়ুন
দি বেসিকস অফ ফটোগ্রাফী (ডিজিটাল) এই বইটি জনাব রফিকুল ইসলামের লেখা। ১৮০ পৃষ্ঠার এই বইটিতে মোট ১৮টি অধ্যায়ে ফটোগ্রাফীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস থেকে শুরু করে ক্যামেরার আর ডিজিটাল ছবির নানা খুটিনাটি বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে খূব চমৎকারভাবে।
অধ্যায় গুলো হলো -
১.ফটোগ্রাফি শিখতে হবে
২.টারমিনোলজি
৩. ফটোগ্রাফীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
৪. বিভিন্ন বিষয়ের ছবি
৫. ফটোগ্রাফ কীভাবে হয়
৬. ক্যামেরা এবং সহায়ক যন্ত্রপাতি
৭. ছবির কারিগরি মান
৮. শারপনেস নিয়ন্ত্রণ
৯. এক্সপোজার পর্ব ১
১0. এক্সপোজার পর্ব ২
১১. লেন্স এবং ফিল্টার
১২. লাইট এবং লাইটিং
১৩. ফ্ল্যাশ এবং ফ্ল্যাশের ব্যবহার
১৪.
… বিস্তারিত পড়ুন
অনেকেই আছেন ফটোগ্রাফী শিখতে চান, কিন্তু নানা কারণে কোন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বা কোন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারের তত্ত্বাবধানে থেকে ফটোগ্রাফী শেখা সম্ভব হয় না। তাদেরকে নির্ভর করতে হয় মূলত বিভিন্ন বইপত্রের উপর। তবে ইদানিং ইন্টারনেট সহজলভ্য হয়ে যাওয়ায় নেটেই নানা রকম টিউটোরিয়াল, পিডিএফ ফাইল বা ইউটিউব ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে। এসবের বেশীর ভাগই আবার ইংরেজীতে। বাংলায় ফটোগ্রাফী বিষয়ক রিসোর্স খূবই কম। বাংলা ভাষায় লেখা ফটোগ্রাফীর বই খূবই কম। আমি চেষ্টা করবো এরকম কিছু বই এর খোঁজ
… বিস্তারিত পড়ুন
ফটোগ্রাফীর প্রতি ছেলে-বুড়ো সবারই ব্যাপক আগ্রহ আছে। ইদানিং সেটা আরো বেড়েছে বলা চলে। কম্প্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরাই বলি আর ডিএসএলআর ক্যামেরাই বলি সহজলভ্য হয়ে যাওয়ায় এখন অনেকের হাতেই কোন না কোন ক্যামেরা দেখা যায়। যার এসব নেই, সে হয়তো মোবাইল ক্যামেরা দিয়েই ছবি তুলছে। এদের অনেকেই আবার পূরোদস্তর ফটোগ্রাফার হতে আগ্রহী। আর সে জন্য চাই প্রশিক্ষণ। ঢাকায় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিয়মিত এই কাজটি করে যাচ্ছে।
পাঠশালা
বর্তমান বাংলাদেশে এটি শীর্ষস্থানীয় ফটোগ্রাফী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পাঠশালা সারা বছর জুড়েই আয়োজন
… বিস্তারিত পড়ুন
প্রথম ক্যামেরার সাথে পরিচয় ১৯৬৮ সালে, আমার বয়স যখন ৩+ বছর। আম্মা নিউমার্কেট থেকে ৪৫ টাকা দিয়ে একটা ফিল্ম ক্যামেরা কিনেছিলেন। পূরো প্লিষ্টিক বডি, তবে ব্র্যান্ড কি ছিলো এখন আর কারোই মনে নেই। অনেকে হয়তো ৪৫ টাকা দাম শুনে হাসছেন, সেই আমলে কিন্তু ঢাকা চিটাগাং প্লেন ফেয়ারও ছিল ৪৫ টাকা। এই ক্যামেরারটার স্মৃতি আবছা মনে পড়ে এখনও। বাকি সব তথ্য আব্বা-আম্মার কাছে শোনা। তবে সেই ক্যামেরাটার আয়ূ খূব বেশী দিন ছিলো না। একেতো প্লাষ্টিক বডি
… বিস্তারিত পড়ুন
ডিএসএলআর ক্যামেরা কেনার পর ম্যানুয়াল মোডে ছবি তুলতে যেয়ে অনেকেই হতাশ হন আউটপুট দেখে। আমার নিজের অনুভূতিটা হয়েছিলো এমন – “কম্প্যাক্ট ক্যামেরাতেই তো ভাল ছবি তুলতাম”। যাই হোক শুরুতে এরকম হওয়াটাই খূব স্বাভাবিক। কারণ সবাই তো সবকিছু শিখে নিয়ে তারপর ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনে না। যে যাই বলুক শুরুতে আপনি নিশ্চিন্তে অটো মোড ব্যবহার করে ছবি তুলুন। আপনার সূবিধার কথা চিন্তা করেই তো এসব মোড দেয়া হয়েছে তাই না। আমি এখনও বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্টানে
… বিস্তারিত পড়ুন
অনেক সময়ই নিজের ছবি নিজেকেই তুলতে হয়। হয়তো আশে-পাশে ভাই-বোন-বন্ধু তেমন কেউ ই নেই যে আপনাকে একটু সাহায্য করতে পারে। একেবারে নির্বান্ধব অবস্থায় নিজের ছবি তোলাটা এমন কঠিন কিছু না। এর জন্য আপনার দরকার হবে একটা ট্রাইপড, একটা ষ্ট্যান্ড, একটা ফোকাস টার্গেট – ব্যস এই কয়টা জিনিস হলেই আপনি আপনার নিজের পোর্টেট ছবি নিজেই তুলে ফেলতে পারবেন। ‘ফোকাস টার্গেট’ জিনিসটা শুনতে ভারিক্কি লাগলেও জিনিসটা একটা ইমেজ। প্রথমে এরকম একটা ফোকাস টার্গেট প্রিন্ট করে
… বিস্তারিত পড়ুন
প্রতিটা ডিএসএলআর ক্যামেরায় একটা বিল্ট-ইন লাইট মিটার থাকে, যেটা লেন্সের ভিতর দিয়ে আসা আলো পরিমাপ করে এক্সপোজার ভ্যালু ঠিক করে। এই জন্য এটাকে বলা হয় TTL বা Through The Lens মিটারিং। ক্যামেরাগুলি সাধারণত ৩ ভাবে এটা করে।
ম্যাট্রিক্স মিটারিং – এই পদ্ধতিতে পূরো ফ্রেমকে বেশ কয়েকটি ভাগে বা জোনে ভাগ করে তারপর আলো পরিমাপ করে। এরপর ক্যামেরার ভিতরের প্রসেসর সেটা থেকে সম্ভাব্য ভাল রেজাল্ট বের করে নিয়ে আসে। এটিই এখন পর্যন্ত সর্বাধূনিক পদ্ধতি।
সেন্টার ওয়েটেড মিটারিং –
… বিস্তারিত পড়ুন
ফটোগ্রাফী’র বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়ালে দেখা যায় ফটোগ্রাফার ষ্টুডিওতে ছবি তুলছেন আর সেটা সাথে সাথেই তার কম্পিউটার মনিটরে চলে আসছে। এটাই আসলে Tethered Shooting বা রিমোট শুটিং। তবে সব ডিএসএলআর ক্যামেরা দিয়ে আপনি এই সূবিধা পাবেন না। বিশেষ করে এন্ট্রি লেভেল ডিএসএলআরে এই সূবিধা নেই। এই সূবিধা পেতে হলে আপনার দরকার একটা ক্যামেরা কন্ট্রোল সফটওয়্যার, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার আর একটা ইউএসবি ক্যাবল। ইউএসবি ক্যাবল দিয়ে ক্যামেরাটি কম্পিউটার এর সাথে যুক্ত করে এরপর ক্যামেরা
… বিস্তারিত পড়ুন
পৃষ্ঠা সমূহ ১ - ৭১২৩৪৫...»শেষ পাতা »
|
|
|
সাম্প্রতিক মন্তব্য